| চিঠিপত্র |
|
|
কোরবান আলীকে ধন্যবাদ
লন্ডনস্থ ফেনী সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি ব্রিটিশ-বাংলাদেশী কোরবান আলী একান্ত আলাপচারিতায় আবেগঘন কন্ঠে বলেছেন, বৃহত্তর নোয়াখালীর যে মাটি ও আলো-বাতাসে বড় হয়েছি, সেই জন্মস্থানের কথা লন্ডনে থেকেও ভোলা যায় না।
জনাব কোরবান আলীর এ বক্তব্য নোয়াখালীর মানুষের হৃদয় স্পর্শ করবে। তিনি প্রবাসী সমিতির নেতৃত্ব দিয়ে লন্ডন প্রবাসী নিজ অঞ্চলের লোকজনের সাথে যোগসূত্র স্থাপন করেছেন। তাদের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে নিজ এলাকার কর্মঠ ছাত্র-যুবকগণ লন্ডনে গিয়ে তার সাথে দেখা করতে গেলে তিনি তাদেরকে সাদরে গ্রহণ করেন, তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে থাকেন। তাঁর এই ধ্যান-ধারণা প্রবাসীদের মনে সাহস যোগায় এবং বেকার যুবসমাজকে আশায় উদ্দীপ্ত করে। জনাব কোরবান আলীকে ধন্যবাদ।
-এম শাসুল আরেফিন টিটু
লাঙলমোড়া, ছাগলনাইয়া, ফেনী
|
চরজব্বারে ব্যাংকের শাখা চাই
নোয়াখালী জেলার চরজব্বার থানার লোকসংখ্যার অধিকাংশই ব্যবসায়ী ও দেশ-বিদেশে চাকরিজীবী। এখানে রয়েছে সোনালী ব্যাংকের দুটি এবং কৃষি ব্যাংকের একটি শাখা। এ অঞ্চলের প্রায় বিশ সহস্রাধিক লোকই প্রবাসী। প্রতি মাসে প্রবাসীদের রেমিটেন্সের পরিমাণ প্রায় দু’শ কোটি টাকা। থানার আটটি ইউনিয়নে বেসরকারি ব্যাংকের শাখা না থাকায় প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থ দ্রুত পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। আমদানি ও রফতানি খাতসহ জেলার পাইকারি ও খুচরা ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হচ্ছে থানার সদর দফতরে অবস্থিত আটকপালিয়া বাজারটি। এ বাজারের ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কোটি কোটি টাকার আর্থিক লেনদেন করে থাকে। বেসরকারি ব্যাংকের কোন শাখা না থাকায় ব্যবসায়ীরা ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত জেলা শহরের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করে থাকে, যা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। চরজব্বারে সোয়েটার ফ্যাক্টরিসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকারখানাগুলোতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের স্বল্পতার কারণে উৎপাদন, আমদানি ও রফতানি কাজে নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এ থানায় উৎপাদনশীল, ট্রেডিং ও সেবা খাতগুলোতে বিনিয়োগ প্রদান করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা, প্রবাসীদের অর্থ দ্রুত প্রেরণ ও স্থানীয় জনগণকে আর্থিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিটি ইউনিয়নে সরকারি ব্যাংকের শাখা এবং থানা সদর দফতর চরজব্বারে বেসরকারি ব্যাংকের শাখা স্থাপন করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
-মোঃ সহিদ উল্লাহ (বাচ্চু)
চরজব্বার, নোয়াখালী
|
মায়ের প্রতি সন্তানের কর্তব্য
পৃথিবীর মধুরতম শব্দটি হচ্ছে ‘মা’। এ শব্দটি ছোট হলেও এর বিশালত্ব অনেক। মায়ের ঋণ আমরা কখনও শোধ করতে পারব না। নিজে অর্ধাহারে অনাহারে থেকে সন্তানকে খাইয়েছেন এবং শত কষ্টের মাঝেও কোলে-পিঠে করে মানুষ করেছেন। সেই সন্তান বড় হয়ে কিভাবে মায়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে? মায়ের প্রতি সন্তানের অবহেলা, যথাযথ দায়িত্ব পালন না করা, খোঁজখবর না রাখাÑ এটা কি সন্তান হিসেবে কাম্য? সামাজিক সম্মানের কথা ভেবে মা হয়তো কারও কাছে তার কষ্টের কথা প্রকাশ করেন না। বরং মনের দুঃখ মনেই চেপে রাখেন। অনেকক্ষেত্রে পারিবারিক কলহের জের ধরে মায়ের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হয় সন্তানরা। ফলে পরিবারের মধ্যে অশান্তির কালো থাবা লেগেই থাকে। সন্তানের এসব কার্যকলাপে মা কষ্ট পেলেও, সন্তানকে অভিশাপ দেন না। মায়ের মন আকাশের মতোই অসীম, সাগরের মতোই গভীর এবং ফুলের মতোই কোমল। মাতৃ বিয়োগের যে কি ব্যথা, তা একমাত্র ভুক্তভোগী ছাড়া উপলব্ধি করতে পারবে না। সমাজে এমনও মা আছে যারা সারাজীবন শুধু কষ্টই করে যান। কিন্তু সুখের নীড় কোথাও পান না কেউ। তাই সমাজের সর্বস্তরের সবার কাছে আমাদের আবেদন, আসুন আমরা সবাই মায়ের সঙ্গে এমন আচরণ করি যেন মা সব সময়ই সন্তুষ্ট থাকেন। মায়ের প্রতি যথাযথ দায়িত্ব পালন করা সবার কর্তব্য।
-আতিক উল্লাহ রক
এসএসকে রোড, ফেনী
|
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন বিশেষ প্রয়োজন
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলা ও পৌরসভার অন্তর্গত এলাকা দুঃশ্চিমপাড়া (কলাবাগান) হতে চিলাদী পর্যন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থার কোন উন্নয়ন হয়নি এবং কাঁচা সড়কগুলো আজও সংস্কার হয়নি। এই রাস্তাটি পাকা করে অত্র এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা বিশেষ দরকার। নোয়াখালী-মাইজদী-কুমিল্লা মহাসড়কের কলাবাগান নামক স্থান (চিলাদী রাস্তার মাথা) থেকে কেইয়া, পাঁচতুফা চিলাদী (মুন্সিপাড়া) দিয়ে দিঘীরপাড় ফকির বাড়ী জামে মসজিদ পর্যন্ত, চিলাদী পোষ্ট অফিস (মুন্সিপাড়া) দোকান থেকে স্কুলের পশ্চিম দিক হয়ে ছাতারপাইয়া, তেমুহনী বাজার, মানিকমুড়া (মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ম্যাজিষ্ট্রেট মজিবুল হক সড়ক) রোড পর্যন্ত, আবার চিলাদী (তেমুহনী বাজার, ছাতারপাইয়া রোড) থেকে পূর্বপাড়া দিয়ে বসন্তপুর পর্যন্ত রাস্তাটি পাকা করা খুব জরুরী হয়ে পড়েছে। এ দু’টি রাস্তার দু’ধারে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। কিন্তু দুঃখের বিষয় রাস্তাটি চলাচলের জন্য খুবই অনুপযোগী। এতে লোকজনের চলাফেরা ছাড়াও বর্ষাকালে রোগী ও মালামাল পরিবহন অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ব্যাপার। অত্র এলাকার এই রাস্তা দুটিসহ ছাতারপাইয়া তেমুহনী, কাবিলপুর পর্যন্ত বাকি রাস্তাটি পাকা করা খুব জরুরী। দুঃশ্চিমপাড়া, চিলাদী, পশ্চিম ছাতারপাইয়া পল্লীমঙ্গল লেন ও চিলাদী মুন্সিপাড়া টু বসন্তপুর রোড এবং ছাতারপাইয়া তেমুহনী কাবিলপুর রাস্তাটিসহ অন্যান্য রাস্তা মেরামত, কাঁচা রাস্তা পাকা করার জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রিকার মাধ্যমে অনুরোধ বা দাবি পেশ করা হলেও এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা সবসময়ই অবহেলিত। এ ব্যাপারে এলজিইডি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।
-এম জি হৃদয়
চিলাদী মুন্সীপাড়া, নোয়াখালী
|
প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি প্রত্যাশা
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকায় লক্ষ্মীপুর জেলার ইমাম বিশেষত ইসলামিক ফাউন্ডেশন সংশ্লিষ্ট ইমামদের মনে প্রত্যাশা জেগেছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪৩টি জেলা কার্যালয় ও জনবলের মেয়াদ ৩০ জুন ১৯৯৭ সালে শেষ হয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪৩টি জেলা কার্যালয় জনবলসহ কোনরূপ কাটছাঁট ছাড়াই রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করেন। এছাড়া মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং প্রতি জেলায় ১৫টি কেন্দ্রকে আপগ্রেড করে ইমামদের মাধ্যমে প্রথম শ্রেণীতে পাঠদানের ব্যবস্থা করেন। পরবর্তী সময়ে নানারকম আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় প্রকল্পটি স্থায়িত্ব লাভ করেনি। বর্তমানে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের পঞ্চম পর্যায় অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া এ প্রকল্পে ৩০ জুন ১৯৯৭ -এর আগ থেকে নিয়োজিত ১৩১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের বিষয়টি দুই বছর যাবৎ অর্থ মন্ত্রণালয়ে ফাইলবন্দি অবস্থায় রয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আগের প্রধানমন্ত্রীর ধারাবাহিকতায় মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করবেন এবং প্রকল্পটি বর্ধিত আকারে পঞ্চম পর্যায়ের অনুমোদন দেবেন বলে আশা করি।
-এমদাদ খান, লক্ষ্মীপুর
|
| |
|